জেলা রাজ্য

মঙ্গলবার সকালে বেলেঘাটা সুভাষ সরোবরে প্রাতঃভ্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

প্রতিনিধি, কোলকাতা

তিনি সকাল ৫.২০ মিনিট নাগাদ বেলেঘাটা সুভাষ সরোবর পৌঁছন এবং সেখানে স্থানীয় বেশ কিছু বিজেপি কর্মী সমর্থক এবং স্থানীয় মানুষকে নিয়ে যোগ অভ্যাস সারেন। পাশাপাশি এই মুহূর্তে অর্থাৎ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের হাত থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে তিনি বেশ কিছু টোটকা দেন এবং যোগাভ্যাস করার কথা বলেন। সাড়ে সাতটা নাগাদ যোগ অভ্যাস সেরে তিনি ফুল বাগান মোড়ে চা চক্রে অংশগ্রহণ করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে। তাদের অভাব-অভিযোগের কথা শোনেন তিনি। তিনি জানান, করোনা ভাইরাস নিয়ে আরো সতর্ক হওয়া উচিত, যেভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন জুলাই মাসে তা আরও বাড়বে। পূর্বে সংক্রমণ প্রতিদিন গড়ে ২০০ ছিল যা এখন প্রতিদিন ৫০০ সংক্রমনের দাঁড়িয়েছে। লকডাউন ঠিকমতো হয়নি রাজ্যে, কন্টেনমেন্ট জোন ঠিকমত পালন করা হোলো না, সংক্রমণ বেশি হলেও সুস্থতার হার বেশি। তবে সরকারকে এই ভাইরাস থেকে মানুষকে বাঁচাতে আরো কড়াকড়ি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। রেল, বিমান বন্ধ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, সংক্রমণের ক্ষেত্রে রেল, বিমানে চালু থাকলে সংক্রমণ বাড়ার সম্ভাবনা বেশি ঠিকই, তবে রিভিউ করতে হবে রাজ্য সরকার কে। সরকার সবাইকে কাজে যোগদান করতে বলছেন অথচ পরিবহন ব্যাবস্থা একদমই কম, এই ক্ষেত্রে সরকার কে সমস্ত কিছু নিয়ে সবদলের সাথে আলোচনা করতে হবে। উনি আরও বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ৬৫ বছরের বৃদ্ধদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য বিরোধিতা করেছেন তৃণমূল। দিদিমণি কখনও বলছেন ইভিএম নয় ব্যালট চাই। সরকারি সুরক্ষা কর্মী, পুলিশকর্মী সবাই পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেয়। বয়স্কদের ভাইরাসের সংক্রমনের হার সবচেয়ে বেশি তাদের যেন ভোট দিতে ভিড়ে যেতে না হয় সেই জন্য পোস্টাল ব্যালটের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু উনি ভয় পাচ্ছেন। ওদের আত্মবিশ্বাস হারিয়ে গেছে। হারজিত জনগণের ওপর, ফলাফল যাইহোক সকল রাজনৈতিক দলকে তা মেনে নেওয়া উচিত। আমফান ঝড়ের ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের টাকা সবাই পাবেন কেউ বঞ্চিত হবেন না, গতকাল বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, “এটা বলতে এত সময় লাগে, চুরি করে তো ঢাক করে নিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোলকাতা থেকে বের হন না, তাই বলতে পারেন না। দিদির যারা চামচা বেলচা রয়েছেন দিদির জয় বলে দিদিকে ডুবিয়ে দিচ্ছে, সবকিছু হাতের বাইরে চলে গেছে। পুলিশ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য কোন কিছুই করার নেই। দিদি ভালো, দিদির অনুপ্রেরণায় সব হয়েছে। দিদিকে আর বাঁচানো যাবে না দিদির বিসর্জন হবেই”।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *