রাজ্য

২ মে ভোট গণনার দিন যাবতীয় বিজয় মিছিল বা বিজয় সমাবেশকে বন্ধ করল নির্বাচন কমিশন।

ডিজিটল ডেস্ক

২ মে পাঁচ রাজ্যের ভোট গণনা। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও ভোট হয়েছে অসম, তামিলনাডু, কেরল ও পদুচেরিতে। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে নির্বাচনী সভা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের এমন ‘গা ছাড়া’ মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সোমবার এই নিয়ে মাদ্রাজ হাইকোর্টের তরফ থেকে তুলোধোনা করা হয় নির্বাচন কমিশনকে। মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি সেন্থিলকুমার রামমূর্তির ডিভিশন বেঞ্চ মামালার শুনানিতে নির্বাচন কমিশনক ‘ভৎসনা’ করেন। তাঁরা জানিয়ে দেন, অতিমারির আবহে রাজনিতিকরা তো বিধিনিষেধ মানেননি, কমিশনও কার্যত নীরব দর্শকের ভুমিকা পালন করেছে।

এরপরেই মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের দিন এবং তাঁর পরেও কোনও বিজয় মিছিল বা বিজয় সমাবেশ করা যাবে না। কমিশনের সুত্রে জানানো হয়, নিসেধাজ্ঞার আওতায় আরও কী কী থাকবে তা মঙ্গলবারই সবিস্তারে ঘোষণা করবে কমিশন।

পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের ফল ঘোষণা হবে ২ মে। এরই মধ্যে বিভিন্ন মহলে গত কয়েকদিন ধরেই আলোচনা চলছিল ফল ঘোষণার পর বিজয় মিছিল বা বিজয় সমাবেশে নিশেধাজ্ঞা জারি করুক নির্বাচন কমিশন। জনসমাগম হলে তাতে করোনা সংক্রমণ ছড়াতে পারে আরও দ্রুত। কারণস্বরূপ, করোনা পরিস্থিতিতে নিয়মিত জনসভা করে গিয়েছেন বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতারা। সেই জনসভাগুলিতে দেখা গেছে হাজার-হাজার মানুষের ভিড়। হাতেগোনা কয়েক জনকে মাস্ক পড়তে দেখা গেছে সমাবেশগুলিতে। লাগামহীন ভাবে বেড়ে গিয়েছে দেশে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে বেড একপ্রকার নেই বললেই চলে। অক্সিজন সিলেন্ডারের খামতি দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন শহরে। কি ভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেবে সেই নিয়েই চিন্তায় রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার। তারই মধ্যে সোমবার মাদ্রাজ হাইকোর্টের ‘ভৎসনার’ মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশন। তাই মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এই সিধান্ত বলে মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *