জেলা পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান

বাংলা-ঝাড়খণ্ড চেকপোষ্টে লকডাউন সফল করার জন্য তৎপর পুলিশ প্রশাসন।

নীলকণ্ঠ দাস, আসানসোল

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে শনিবার মুখ্যসচিব ঘোষণা করেন ১৬ মে থেকে দু’সপ্তাহের জন্য কার্যত লকডাউনের। অর্থাৎ রবিবার ১৬ মে থেকে পশ্চিমবঙ্গে কড়াকড়ি ভাবে কার্যত লকডাউন শুরু হবে ৩০ মে পর্যন্ত। লকডাউনের প্রথম দিনেই দেখা গেল পুলিশকে কড়া হাতে দমন করতে। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের অন্তর্গত বাংলা-ঝাড়খন্ড সীমান্ত ডুবুরডিহি চেক পোস্টে তৎপর হতে দেখা যায় পুলিশ প্রশাসনকে রবিবার সকাল থকেই। যেখানে নিজে উপস্থিত ছিলেন ডিসি ট্রাফিক তথা ডিসি (ওয়েস্ট) আনন্দ রায় সহ ট্রাফিক এসিপি সুকান্ত ব্যনার্জী ও কুলটি ট্রাফিকের আধিকারিক শুভেন্দু চ্যাটার্জী। অন্যদিকে একই ছবি দেখা যায় রুপনারায়নপুর বাংলা-ঝাড়খন্ড চেক পোষ্ট কল্যানেশ্বরী নাকা পয়েন্টে। নিজে দাঁড়িয়ে থেকে চেকিং করেন রূপনারায়ানপুর ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক প্রসেনজিৎ রায় ও কল্যানেশ্বরী ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক অমরনাথ দাস। জরুরী পরিষেবা গাড়ি ছাড়া অন্য কোন গাড়িগুলিকে পারাপার করতে দেওয়া হচ্ছে না। যদিও সেই গাড়িগুলির কাছে সঠিক নথিপত্র থাকলে তবেই তাকে যেতে দেওয়া হচ্ছে। সীমান্তবর্তী চেকপোষ্টের অপরদিকে রূপনারায়ণপুর বাজার, দেন্দুয়া বাজার, দোমাহানি বাজার সর্বত্রই দেখা গেল সরকারি নির্দেশিকা অমান্য করার ছবি। এইদিন পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করে সমস্ত সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করে সাধারণ মানুষকে বার্তা দেওয়া হয় অযথা কেউ বাড়ির বাইরে বেরোবেন না, সকাল দশটার পর বাজারে কেউ আসবেন না। কিন্তু, পুলিশের মাইকিং করা সত্ত্বেও সরকারি নির্দেশিকাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে অনায়াসে বাজারের রাস্তায় ঘুরতে দেখা যায়। এদিন পুলিশের তাড়া খেয়ে দোকানপাট বন্ধ করল রুপনারায়নপুর সবজি বাজারের বিক্রেতারা। এছাড়াও সরকারের দেওয়া নির্দেশিকা অমান্য করল বেসরকারি কল-কারখানাগুলি। যেখানে সরকারি নির্দেশিকায় জানানো রয়েছে জরুরি পরিষেবা ছাড়া সমস্ত কিছুই বন্ধ থাকবে ৩০ মে পর্যন্ত। বন্ধ থাকবে কয়েকটি প্রয়োজনীয় সামগ্রী উৎপাদিত কারখানা ছাড়া বাকি সব কল-কারখানা। সেখানে সালানপুর ও কুলটি থানার অন্তর্গত কদভিটা এলাকায় অবস্থিত ইক্সপেক্স, জাগদম্বা, সিটি গোল্ড সহ বিভিন্ন প্রাইভেট প্লান্টগুলি খোলা রয়েছে বলে জানা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *