জেলা পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান

লকডাউন সফল করতে তৎপর পুলিশ, মৃদু লাঠিচার্জ আসানসোলে।

নিজেস্ব প্রতিবেদন, আসানসোল

কার্যত লকডাউনের পথে রাজ্যে। তাতে বলা হয়েছে করোনার সমস্ত বিধি মেনে জরুরী পরিষেবা ছাড়া সমস্ত দোকানপাট বন্ধ থাকবে। আংশিক লকডাউনে করোনা গ্রাফ নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। তাই আংশিক লকডাউনের পর কার্যত সম্পূর্ণ লকডাউনই করতে হয় রাজ্য সরকারকে। এদিন আসানসোলের মহিশীলা কলোনির খুদিরাম মোড় সংলগ্ন বাজার এলাকায় সরকারি নির্দেশিকা অমান্য করে বাজার খোলা রাখার প্রবণতাকে কড়া হাতে দমন করতে দেখা গেল পুলিশ প্রশাসনকে। শনিবার স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় দুপুরে লকডাউন ঘোষণা করার পর থেকেই বিভিন্ন দোকানে ভির লেগে যায় কেনাকাটা জন্য। বেশিরভাগ মদের দোকানে লাইন দিতে সুরাপ্রেমিদের দেখা যায়। দেখা যায় মাস্ক বিহীন তাদের লাইনে। রবিবার সকাল হতেই কড়াহাতে নিয়মভঙ্গকারিদের দমন করতে দেখা যায় পুলিশকে। জরুরী পরিষেবা ছাড়া কিছু খোলা থাকবে না। সেই নির্দেশিকাকে কঠোর হাতে দমন করতে দেখা যায় আসানসোল দক্ষিন থানার পুলিশকে। তবে, এদিন মহিশীলা এলাকার বাজারের বেশকিছু দোকান বন্ধ করার সময়ের পরও খোলা ছিল। পুলিশের তরফ থেকে লাঠি উঁচু করে তাদের দোকান বন্ধ করতে বলা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন দোকানিদের তাড়া করে, মৃদু লাঠি চার্জ করতে দেখা যায় পুলিশকে। অন্যদিকে, হটন রোড কালি মন্দিরের সামনে সবজি বাজার, পুলিশের আবেদনের সত্ত্বেও খোলা থাকতে দেখা যায়। এর পাশাপাশি জিটি রোডে সিটি বাস স্ট্যান্ডে দেখা গেল পুলিশের কড়াকড়ি, সমস্ত নথি দেখানোর পর গাড়ী ছাড়া হয়। অহেতুক বিনা কারণে বাইকে ঘোরাফেরা করলে তাদেরকে আটক করা হয়। টোটো অটোরিকশা সব ঘুরিয়ে দেওয়া হয়, নথি বা উপযুক্ত কারণ দেখাতে না পারার কারণে সকাল থেকে বেশকিছু বাইক বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। প্রায় একই চিত্র দেখা গেছে রাণীগঞ্জ বাজারে। এখানে পুলিশকে মাইকে করে লকডাউনের বিধি নিষেধ প্রচার করতে দেখা যায়। পাশাপাশি রানীগঞ্জ বাজারেও মৃদু লাঠিচার্জ করে পুলিশকে দোকান বন্ধ করাতে দেখা যায়। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের পরিবহন এবং জরুরি গাড়ী ছাড়া প্রায় সমস্ত গাড়ীগুলিকে আটক করতে দেখা যায় পুলিশকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *