জেলা পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান

জলাশয় ভরাট রুখতে বিডিওকে স্মারকলিপি জমা দিলেন এলাকার মানুষ।

সংবাদদাতা, কাঁকসা

সুযোগ পেলেই মাটি বা ছাই ফেলে চলছে জলাশয় ভরাটের কাজ। সমগ্র কাঁকসা ব্লক জুড়ে প্রায়ই জলাশয় ভরাটের অভিযোগ উঠে আসে। জলাশয় ভরাটের অভিযোগ প্রশাসনের কাছে আসা মাত্রই ব্যবস্থাও নেওয়া হয়। তবে প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়ার কিছু দিন পরেই ফের শুরু হয় জলাশয় ভরাট। তাই এবার পানাগড়ের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ এক হয়ে এবার কাঁকসা ব্লক জুড়ে জলাশয় ভরাট রুখতে কাঁকসার বিডিওর কাছে স্বারকলিপি জমা দিলেন তারা। পরিবেশ প্রেমী তথা সমাজ সেবী প্রকাশ দাস জানিয়েছেন, তারা জলাশয় ভরাটের নিরুদ্ধে বহু বার আন্দোলন করেছেন। নানান মহলের কাছে এই বিষয়ে নজর দেওয়ার আবেদনও করেছেন। কিন্তু প্রশাসনের নজর এড়িয়ে কিছু অসাধু জমি মাফিয়া রাতের অন্ধকারে কাঁকসার বিভিন্ন এলাকায় জলাশয় ভরাটের কাজ করছেন। এর আগেও যে সমস্ত এলাকায় জলাশয় ভরাটের বিষয়ে অভিযোগ জানানো হয়েছিলো সেই সমস্ত জলাশয়ে মাটি ভরাটের কাজ বন্ধ করা হলেও এখনো বহু জলাশয়ে ভরাট হওয়া মাটি তুলে জলাশয়কে পুনরায় আগের চরিত্রে ফেরানো হয়নি। তাই তারা ফের ব্লক আধিকারিক সহ প্রশাসনের দফতরে আবেদন করেছেন। তাদের দাবি রাতের অন্ধকারে যদি বেআইনি ভাবে জলাশয় ভরাট করে দেওয়া হয় তবে কাঁকসা ব্লকে জলাশয় বলে কিছু থাকবে না। কাঁকসা ত্রিলোকচন্দ্রপুরের বাসিন্দা সুদীপ্ত পাল বলেন, তারা কয়েকমাস আগেই ত্রিলোকচন্দ্রপুর এলাকার একটি জলাশয় ভরাটের বিষয়ে ব্লক প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। প্রশাসন জলাশয় ভরাটের কাজ আটকে দিলেও প্রায় ১২ বিঘা জলাশয়ের মাটি না ওঠানোর ফলে সমস্যায় পড়েছেন ত্রিলোকচন্দ্রপুরের চাষিরা। তিনি জানিয়েছেন, ওই এলাকার বহু চাষি এই বর্ষার সময় ওই জলাশয়ের জল কাজে লাগিয়ে চাষ করতেন। মাটি না ওঠানোর ফলে বর্ষার সময় ব্যাপক সমস্যায় পড়বেন কৃষকরা। কাঁকসার বিডিও সুদীপ্ত ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, এর আগেও অভিযোগ পাওয়ার পরই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিলো। আবারো ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *